ঢাকা , শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ , ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালি পাড়ি দেওয়া প্রথম তেলবাহী ট্যাংকার পাকিস্তানের জেলখানায় বসেই ডাকাতির পরিকল্পনা, গ্রেপ্তার ১৩ শিক্ষক নিয়োগে মেধাবী কাউকে বাদ দেওয়া যাবে না : শিক্ষামন্ত্রী গাজা যুদ্ধবিরতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র–হামাস সরাসরি আলোচনায় ইন্দোনেশিয়ায় যাত্রীবাহী হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত সবাই যুক্তরাষ্ট্রে একের পর এক পারমাণবিক বিজ্ঞানী নিখোঁজ! বাকিতে চা বিক্রি না করা নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০ ৪১৯ যাত্রী নিয়ে আজ শুরু হচ্ছে প্রথম হজ ফ্লাইট, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন মাইলস্টোনের শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী বিএনপি জনগণের রায় নিয়ে প্রতারণা করেছে : জামায়াত আমির নতুন উপজেলা পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, নাম কী? সপরিবারে বাংলাদেশে শ্রীকান্ত আচার্য চড়া সবজির বাজার, বেশিরভাগের দাম ১০০ টাকার বেশি কার্বন ক্রেডিট বিক্রি করে বছরে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাওয়া সম্ভব: ড. সাইমুম পারভেজ শিশুর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার, জড়িত সন্দেহে দুইজনকে পিটিয়ে হত্যা পুলিশ সপ্তাহের বাজেটে কাটছাঁট, কমছে পদকও জ্বালানি নিয়ে সুখবর দিলেন প্রতিমন্ত্রী চীনা নাগরিককে কুপিয়ে মালামাল লুট, ৫ ডাকাত গ্রেপ্তার হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে নতুন প্রস্তাব ইরানের ২ ডিসি প্রত্যাহার

গাজায় মানুষ মরেছে ‘হিসাবের চেয়ে’ ২৬ হাজার বেশি: ল্যানসেট গবেষণা

  • আপলোড সময় : ১১-০১-২০২৫ ০১:০৬:২১ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১১-০১-২০২৫ ০১:০৬:২১ অপরাহ্ন
গাজায় মানুষ মরেছে ‘হিসাবের চেয়ে’ ২৬ হাজার বেশি: ল্যানসেট গবেষণা
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত গাজায় ৬৪ হাজার ২৬০ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছেন গবেষকরা।গাজায় মানুষ মরেছে ‘হিসাবের চেয়ে’ ২৬ হাজার বেশি: ল্যানসেট গবেষণাগাজায় ইসরায়েলের হামলায় মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা ফিলিস্তিনের স্থানীয় প্রশাসনের নথিভুক্ত সংখ্যার চেয়ে অন্তত ২৬ হাজার বেশি বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে।ল্যানসেট সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনের বরাতে সিএনএন লিখেছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় প্রায় ৬৪ হাজার ২৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে ‘আঘাতজনিত’ কারণে।অন্যদিকে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে ওই সময়ের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৩৭ হাজার ৮৭৭ জনের, যা গবেষণায় উঠে আসা সংখ্যার চেয়ে প্রায় ৪১ শতাংশ কম।
গবেষণাটি করেছেন যুক্তরাজ্যের ‘লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিকাল মেডিসিনের’ (এলএসএইচটিএম) কয়েকজন গবেষক।তারা বলছেন, ২০২৪ সালের অক্টোবর নাগাদ মৃত্যুর সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

যুদ্ধের মধ্যে গাজায় চিকিৎসা, খাবার পানি ও খাদ্যের অভাব এবং ছড়িয়ে পড়া নানা অসুখেও বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এসব মৃত্যুর হিসাব এই গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।গবেষকরা বলছেন, গাজা উপত্যকার প্রায় ৩ শতাংশ মানুষের মৃত্যু হয়েছে সহিংসতায়। এদের মধ্যে ৫৯ শতাংশই নারী, শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি।এলএসএইচটিএম মনে করে, হতাহতের সংখ্যার এই তারতম্যের বিষয়টি মূলত গাজার স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামো ভেঙে পড়ার কারণেই ঘটেছে। স্বাস্থ্য অবকাঠামো ভেঙে পড়ার কারণে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ হতাহতের হিসাব ঠিকঠাক রাখতে পারছে না।গবেষকরা বলছেন, হতাহতের সংখ্যা বের করতে তারা প্রথমে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা হাসপাতালগুলোর মর্গের তথ্য, অনলাইন জরিপ এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসা সহিংসতার তথ্য সমন্বয় করেছেন।

এরপর ‘ক্যাপচার-রিক্যাপচার অ্যানালাইসিস’ পদ্ধতিতে হতাহতের সংখ্যা বের করেছেন তারা। যখন ঘটনাসংশ্লিষ্ট সব নথি পাওয়া যায় না, তখন সাধারণত এই পদ্ধতি ব্যবহার করেন গবেষকরা।এই গবেষণায় নেতৃত্ব দেন জেইনা জামালউদ্দিন। তিনি বলেন, “গবেষণা প্রতিবেদন এটাই বলছে যে গাজায় বেসামরিক মানুষের মৃত্যু বন্ধে জরুরিভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।”গত মাসে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) পক্ষ থেকে বলা হয়, গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী পরিকল্পিতভাবে ফিলিস্তিনিদের খাবার পানি থেকে বঞ্চিত করছে। এতে করে সেখানে বিভিন্ন রোগবালাই ছড়িয়ে পড়ছে এবং হাজারো মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। .এইচআরডব্লিউ সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, বিশুদ্ধ পানির অভাবে সেখানে মানুষের মৃত্যুর প্রকৃত হিসাব কখনোই হয়ত জানা সম্ভব হবে না। কারণ এই হিসাব বের করার মত অবকাঠামো গাজায় অবশিষ্ট নেই।এরই মধ্যে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে গণহত্যা চালানোর অভিযোগ তুলেছে এইচআরডব্লিউ ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ আছে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতেও (আইসিজে)।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
হরমুজ প্রণালি পাড়ি দেওয়া প্রথম তেলবাহী ট্যাংকার পাকিস্তানের

হরমুজ প্রণালি পাড়ি দেওয়া প্রথম তেলবাহী ট্যাংকার পাকিস্তানের